সিজিপিএ ক্যালকুলেটর হাব

যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামের জন্য আপনার সিজিপিএ হিসাব করুন — অনার্স, ডিগ্রি, ডিপ্লোমা, বা কাস্টম কোর্স।

সিজিপিএ ক্যালকুলেটর কী?

সিজিপিএ (কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ) হলো সেমিস্টারগুলোর সব কোর্সের ক্রেডিট-ভারিত গড়। এই ক্যালকুলেটর অনার্স, ডিগ্রি (পাস), ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং যেকোনো কাস্টম প্রোগ্রাম কভার করে — বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যে ৪.০০ স্কেল অনুসরণ করে।

কীভাবে সিজিপিএ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করবেন

  1. আপনার প্রোগ্রামের ধরন বেছে নিন: অনার্স, ডিগ্রি, ডিপ্লোমা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বা কাস্টম।
  2. প্রতিটি কোর্স ক্রেডিট ঘন্টাসহ যোগ করুন।
  3. প্রতিটি কোর্সের গ্রেড পয়েন্ট বসান।
  4. সিজিপিএ হিসাব করুন — ক্রেডিট-ভারিত গড় তাৎক্ষণিকভাবে গণনা হয়।

কেন আমাদের সিজিপিএ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করবেন?

  • ক্রেডিট-ভারিত: বেশি ক্রেডিটের কোর্স সঠিকভাবে সিজিপিএতে বেশি প্রভাব ফেলে।
  • একাধিক প্রোগ্রাম: অনার্স, ডিগ্রি, ডিপ্লোমা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কাস্টম।
  • ক্লাস নির্ধারণ: ফার্স্ট, সেকেন্ড বা থার্ড ক্লাস — কোনটিতে আছেন দেখুন।
  • ফ্রি ও গোপনীয়: কিছুই আপনার ব্রাউজার ছেড়ে যায় না।

সিজিপিএ টিপস

  • প্রতিটি লেটার গ্রেডের সঠিক গ্রেড পয়েন্টের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যান্ডবুক দেখুন।
  • গ্রেড পয়েন্ট ও ক্রেডিট দুটোই হিসাব রাখুন — নির্ভুল সিজিপিএর জন্য দুটোই প্রয়োজন।
  • সরকারি চাকরির জন্য সাধারণত ফার্স্ট ক্লাস (৩.০০+) বা সেকেন্ড ক্লাস (২.২৫+) প্রয়োজন।
অনার্স, ডিগ্রি (পাস), ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিজের কোর্স, ক্রেডিট ও গ্রেডসহ যেকোনো কাস্টম প্রোগ্রাম।
জিপিএ সাধারণত একটি সেমিস্টারের; সিজিপিএ হলো পুরো প্রোগ্রাম জুড়ে সমন্বিত, ক্রেডিট-ভারিত গড়।
জিপিএ সাধারণত একটি সেমিস্টার বা পরীক্ষার ফলাফল বোঝায়। সিজিপিএ (কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ) হলো একটি প্রোগ্রামের সব সেমিস্টার বা বর্ষের ক্রেডিট-ভারিত গড়।
সিজিপিএ = অর্জিত মোট গ্রেড পয়েন্ট ÷ নেওয়া মোট ক্রেডিট। বেশি ক্রেডিটের কোর্স আপনার সিজিপিএতে কম ক্রেডিটের কোর্সের চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে।
স্ট্যান্ডার্ড ৪.০০ স্কেল: A+ = ৪.০০, A = ৩.৭৫, A- = ৩.৫০, B+ = ৩.২৫, B = ৩.০০, B- = ২.৭৫, C+ = ২.৫০, C = ২.২৫, D = ২.০০ এবং F = ০.০০।
বাংলাদেশে ৪.০০ স্কেলে ৩.০০ বা তার বেশি সিজিপিএকে সাধারণত ফার্স্ট ক্লাস ধরা হয়। সেকেন্ড ক্লাস ২.২৫ থেকে ২.৯৯।
বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বর্ষে পাস করতে ন্যূনতম ২.০০ এবং পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে ২.৫০ সিজিপিএ প্রয়োজন হয়।
হ্যাঁ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গ্রেডিং স্কেল ব্যবহৃত হয়, যেখানে নম্বর চাওয়া হয় সেখানে নম্বর-থেকে-গ্রেড রূপান্তরও অন্তর্ভুক্ত।
হ্যাঁ। প্রতিটি সেমিস্টার বা বর্ষের কোর্স যোগ করুন এবং সব মিলিয়ে সমন্বিত সিজিপিএ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব হয়ে যাবে।
কাস্টম অপশন ব্যবহার করে নিজের গ্রেড পয়েন্ট বসান, অথবা অফিসিয়াল মানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক হ্যান্ডবুক দেখুন।

সম্পর্কিত টুলস

🎓 বিবিএ (BBA) সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

বিবিএ কোর্সের সেমিস্টারভিত্তিক ক্রেডিট ও গ্রেড পয়েন্ট দিয়ে নিখুঁত সিজিপিএ বের করার টুল।

📊 সিজিপিএ থেকে পার্সেন্টেজ ক্যালকুলেটর

৪.০০ এবং ৫.০০ স্কেলের সিজিপিএকে সরকারি ও ব্যাংক আবেদনের শতকরা মার্কসে রূপান্তরের টুল।

🛠️ ডিগ্রী সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

ডিগ্রী (পাস) কোর্সের বর্ষভিত্তিক নম্বর ও গ্রেড দিয়ে সঠিক সিজিপিএ বের করার ফ্রি অনলাইন ক্যালকুলেটর।

🛠️ ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ৮ সেমিস্টারের সিজিপিএ হিসাব করার সহজ ক্যালকুলেটর।

🛠️ অনার্স সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

অনার্স ৪ বছর মেয়াদী ৮ সেমিস্টারের কোর্স ক্রেডিট ও গ্রেড বসিয়ে নিখুঁত সিজিপিএ হিসাবের টুল।

🎓 মাস্টার্স (Masters) সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

মাস্টার্স ডিগ্রীর সকল ডিপার্টমেন্টের সাবজেক্ট পয়েন্ট দিয়ে সঠিক সিজিপিএ হিসাবের অনলাইন টুল।