🛠️ ডিগ্রী সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

ডিগ্রী (পাস) কোর্সের বর্ষভিত্তিক নম্বর ও গ্রেড দিয়ে সঠিক সিজিপিএ বের করার ফ্রি অনলাইন ক্যালকুলেটর।

ডিগ্রি (পাস) সিজিপিএ ক্যালকুলেটর কী?

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৩ বছরের ব্যাচেলর ডিগ্রি (পাস) প্রোগ্রামে ৬টি সেমিস্টার থাকে। সিজিপিএ হলো আপনি সম্পন্ন করা প্রতিটি কোর্সের ক্রেডিট-ভারিত গড়। এই ক্যালকুলেটর অফিসিয়াল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গ্রেডিং স্কেল অনুসরণ করে এবং বর্ষভিত্তিক GPA ও ক্লাসসহ চূড়ান্ত সিজিপিএ দেয়।

কীভাবে ডিগ্রি (পাস) সিজিপিএ হিসাব করবেন

  1. আপনার প্রোগ্রামের ৬টি সেমিস্টার বা ৩টি বর্ষের প্রতিটির কোর্স যোগ করুন।
  2. প্রতিটি কোর্সের ক্রেডিট ঘন্টা ও গ্রেড পয়েন্ট বসান।
  3. সিজিপিএ হিসাব করুন।
  4. আপনার মোট সিজিপিএ ও ক্লাস (ফার্স্ট, সেকেন্ড বা থার্ড) দেখুন।

কেন আমাদের ডিগ্রি (পাস) সিজিপিএ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করবেন?

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্কেল: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং পদ্ধতির সাথে মেলে।
  • ক্রেডিট-ভারিত: প্রতিটি কোর্স তার ক্রেডিট ঘন্টা অনুযায়ী গণনা হয়।
  • চাকরি প্রস্তুত: সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে ডিগ্রি (পাস) গৃহীত হয়।
  • ফ্রি: কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই, সীমাহীন ব্যবহার।

ডিগ্রি (পাস) সিজিপিএ টিপস

  • ডিগ্রি (পাস) পাস করা শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে আবেদন করতে পারেন।
  • ফার্স্ট ক্লাস শুরু হয় ৩.০০ সিজিপিএ থেকে — প্রতিটি বর্ষের GPA ট্র্যাক রাখুন।
  • ট্রান্সক্রিপ্টের ক্রেডিট ঘন্টা হাতে রাখুন; নির্ভুল সিজিপিএর জন্য এগুলো প্রয়োজন।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য

হ্যাঁ। বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে ডিগ্রি (পাস) ব্যাপকভাবে গৃহীত হয় এবং শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স প্রোগ্রামেও আবেদন করতে পারেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৩ বছরের ডিগ্রি (পাস) প্রোগ্রামে ৬টি সেমিস্টার থাকে এবং সিজিপিএ সবগুলো জুড়ে হিসাব হয়।
হ্যাঁ। ডিগ্রি (পাস) পাস করা শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদনের যোগ্য।
জিপিএ সাধারণত একটি সেমিস্টার বা পরীক্ষার ফলাফল বোঝায়। সিজিপিএ (কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ) হলো একটি প্রোগ্রামের সব সেমিস্টার বা বর্ষের ক্রেডিট-ভারিত গড়।
সিজিপিএ = অর্জিত মোট গ্রেড পয়েন্ট ÷ নেওয়া মোট ক্রেডিট। বেশি ক্রেডিটের কোর্স আপনার সিজিপিএতে কম ক্রেডিটের কোর্সের চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে।
স্ট্যান্ডার্ড ৪.০০ স্কেল: A+ = ৪.০০, A = ৩.৭৫, A- = ৩.৫০, B+ = ৩.২৫, B = ৩.০০, B- = ২.৭৫, C+ = ২.৫০, C = ২.২৫, D = ২.০০ এবং F = ০.০০।
বাংলাদেশে ৪.০০ স্কেলে ৩.০০ বা তার বেশি সিজিপিএকে সাধারণত ফার্স্ট ক্লাস ধরা হয়। সেকেন্ড ক্লাস ২.২৫ থেকে ২.৯৯।
বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বর্ষে পাস করতে ন্যূনতম ২.০০ এবং পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে ২.৫০ সিজিপিএ প্রয়োজন হয়।
হ্যাঁ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গ্রেডিং স্কেল ব্যবহৃত হয়, যেখানে নম্বর চাওয়া হয় সেখানে নম্বর-থেকে-গ্রেড রূপান্তরও অন্তর্ভুক্ত।
হ্যাঁ। প্রতিটি সেমিস্টার বা বর্ষের কোর্স যোগ করুন এবং সব মিলিয়ে সমন্বিত সিজিপিএ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব হয়ে যাবে।

সম্পর্কিত টুলস

🎓 বিবিএ (BBA) সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

বিবিএ কোর্সের সেমিস্টারভিত্তিক ক্রেডিট ও গ্রেড পয়েন্ট দিয়ে নিখুঁত সিজিপিএ বের করার টুল।

🛠️ সিজিপিএ ক্যালকুলেটর হাব

বিশ্ববিদ্যালয়, অনার্স, ডিগ্রি ও ডিপ্লোমা প্রোগ্রামের ক্রেডিটভিত্তিক সিজিপিএ হিসাবের অনলাইন হাব।

📊 সিজিপিএ থেকে পার্সেন্টেজ ক্যালকুলেটর

৪.০০ এবং ৫.০০ স্কেলের সিজিপিএকে সরকারি ও ব্যাংক আবেদনের শতকরা মার্কসে রূপান্তরের টুল।

🛠️ ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ৮ সেমিস্টারের সিজিপিএ হিসাব করার সহজ ক্যালকুলেটর।

🛠️ অনার্স সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

অনার্স ৪ বছর মেয়াদী ৮ সেমিস্টারের কোর্স ক্রেডিট ও গ্রেড বসিয়ে নিখুঁত সিজিপিএ হিসাবের টুল।

🎓 মাস্টার্স (Masters) সিজিপিএ ক্যালকুলেটর

মাস্টার্স ডিগ্রীর সকল ডিপার্টমেন্টের সাবজেক্ট পয়েন্ট দিয়ে সঠিক সিজিপিএ হিসাবের অনলাইন টুল।